আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়-ব্যবহারিক: পুকুরে সার ও চুন প্রয়োগের পরিমাণ নির্ণয়
Table of Contents
ব্যবহারিক: পুকুরে সার ও চুন প্রয়োগের পরিমাণ নির্ণয়
বিষয় ২ পুকুরে সার ও চুন প্রয়োগের পরিমাণ নির্ণয়
উপকরণ :
১| ইউরিয়া, টিএসপি ও এমপি সার। ২। পঙ্গুরে চুন। ৩। বালতি ৪| ছোটড্রাম-১টি, হাফড্রাম ১টি ৫। ছোট মাপ ১টি ৬। মাপার ফিতা ৭। খাতা, পেন্সিল ও ফেল।

কাজের ধাপ
১। নিকটস্থ কোন পুকুরে যান। মিটার ফিতার সাহায্যে পুকুরের দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থের মাপ দিন।
২। দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ গুণ করুন। গুণফলকে ৪০ দিয়ে ভাগ করে শতাংশে আয়তন নির্ণয় করুন। ১ শতাংশ = ৪০ বর্গমিটার (প্রায়)।
৩। শতাংশ প্রতি ইউরিয়া ১৫০ গ্রাম, টি.এস.পি ৫০ গ্রাম, পটাশ ১০ গ্রাম এবং পুনরা কেজি হিসাবে পরিমাণ নির্ণয় করুন।

৪। ব্যবহারিক খাতায় ছক আকারে পুকুরের আয়তন, চুন ও সারের নাম ও পরিমাণ লিখুন।
উদাহরণ : মনে করুন পুকুরের দৈর্ঘ্য ৪০ মিটার ও প্রস্থ ২৫ মিটার
পুকুরের আয়তন – ৪০*২৫ = ১০০০ বর্গমিটার
= ১০০০ বর্গমিটার 80
=২৫ শতাংশ।
(ক) মোট ইউরিয়া সারের পরিমাণ = ১০০ গ্রাম ২৫
= ২৫০০ গ্রাম
= ২.৫ কেজি
(খ) মোট টি.এস.পি সারের পরিমাণ = ৫০ গ্রাম * ২৫ গ্রাম
=১২৫০ গ্রাম
= ১.২৫ কেজি
(গ) মোট এম.পি সারের পরিমাণ = ১০ গ্রাম ২৫
=২৫০ গ্রাম
= ০.২৫ কেজি।
ঘ) মোট চুলের পরিমাণ =১ কেজি x ২৫ = ২৫ কেজি
সারের পরিমাণ (কেজি)
পুরুষের দৈর্ঘ্য (মিটার) পুকুরের প্রস্থ (মিটার) আয়তন (শতাংশ) ইউরিয়া টিএসপি এম.পি চুন মন্তব্য
৪০ মিটার ২৫ ২৫ ২.৫ ১.২৫ ০.২৫ ৪০ বর্গমিটার= ১ শতাংশ
এবং ১০০০ গ্রাম = ১ কেজি

মাছ চাষ
মৎস্যচাষ হল সাধারণত খাবারের জন্য পুকুরে বা জলাভূমিতে বাণিজ্যিকভাবে মাছ- চাষ করা। এটি জলজ চাষের প্রধান রূপ এবং এই চাষ সামুদ্রিক প্রাণীর সাথে হতে পারে। একটি সুবিধা যা বিনোদনমূলক মাছ ধরার জন্য বা একটি প্রজাতির প্রাকৃতিক সংখ্যার পরিপূর্ণ করার জন্য ছোট মাছেদের ছাড়ার ব্যবস্থাকে সাধারণত মাছের হ্যাচারি হিসাবে উল্লেখ করা হয়। বিশ্বব্যাপী, মাছ -চাষে উৎপাদিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাছ প্রজাতি হলো কার্প, তিলাপিয়া, স্যালমন ও ক্যাটফিশ।
মাছ ও মাছ থেকে পাওয়া প্রোটিনের চাহিদা বাড়ছে, যার ফলে বন্য মৎস্যচাষে বিস্তৃত ভাবে মাছ উৎপাদন হচ্ছে। চীনে বিশ্বের মোট মাছ চাষের ৬২% হয়ে থাকে। [২] ২০১৬ সাল নাগাদ পৃথিবীর মোট উৎপাদিত সীফুডের মধ্য জলজ পালনে ৫০% এর অধিক সীফুড উৎপাদিত হয়।
