বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ, যেখানে মাছ মানুষের প্রাণিজ প্রোটিনের প্রধান উৎস। দেশের মোট প্রাণিজ প্রোটিনের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে মাছ থেকে। তাই মাছ চাষ শুধু খাদ্য নিরাপত্তার জন্যই নয়, বরং গ্রামীণ অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। কিন্তু সফল মাছ চাষের মূল চাবিকাঠি হলো — সঠিকভাবে পুকুর প্রস্তুত করা।
পুকুর কেবলমাত্র পানি জমার স্থান নয়; এটি এক জীবন্ত বাস্তুতন্ত্র, যেখানে মাছ, অণুজীব, জলজ উদ্ভিদ ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান একসাথে ভারসাম্য রক্ষা করে। এই ভারসাম্য রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পুকুরকে বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিতভাবে প্রস্তুত করা অত্যাবশ্যক।
যে পুকুরে রেনু পোনা (নবজাত পোনা) থেকে ধানি পোনা পর্যন্ত বড় করা হয় তাকে আঁতুড় পুকুর (Nursery Pond) বলা হয়,
আর যে পুকুরে ধানি পোনা থেকে চারা পোনা পর্যন্ত বড় করা হয়, সেটি হলো চারা পোনার পুকুর (Rearing Pond)।
এই দুই ধরনের পুকুরের ব্যবস্থাপনা প্রায় একই রকম হলেও, আঁতুড় পুকুরে পরিচর্যা ও সতর্কতা অনেক বেশি প্রয়োজন, কারণ রেনু পোনা অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় থাকে।
বৈজ্ঞানিকভাবে পুকুর প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে —
- উপযুক্ত স্থানে পুকুর নির্বাচন,
- আগাছা, শেওলা ও রাক্ষুসে মাছ অপসারণ,
- তলদেশ ও পাড় মেরামত,
- চুন প্রয়োগ,
- সার প্রয়োগ ও প্রাকৃতিক খাদ্য সৃষ্টি,
- এবং ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন।
প্রতিটি ধাপই মাছের পোনা বেঁচে থাকা, দ্রুত বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অপরিকল্পিতভাবে প্রস্তুত পুকুরে পোনা মারা যায়, পানির গুণাগুণ নষ্ট হয়, অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয় এবং প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়।
অতএব, সফল মাছ চাষের পূর্বশর্ত হলো—
“সঠিকভাবে পুকুর প্রস্তুতি, সঠিকভাবে মৎস্য উৎপাদন।”
এই পাঠে আমরা ধাপে ধাপে জানবো—
কীভাবে একটি পুকুরকে মাছের আঁতুড়ঘর হিসেবে প্রস্তুত করতে হয়,
কোন উপকরণ প্রয়োজন,
কীভাবে ক্ষতিকর জীব অপসারণ করতে হয়,
এবং কীভাবে চুন, সার ও কীটনাশক সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে হয়।
এই জ্ঞান ও অনুশীলনই একজন সফল মৎস্যচাষির ভিত্তি গড়ে তোলে।
Table of Contents
পুকুর প্রস্তুতি
সফল মাছ চাষের জন্য পুকুরের সঠিক প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে প্রস্তুত পুকুরে মাছের পোনা দ্রুত বৃদ্ধি পায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনও সহজ হয়।
যে পুকুরে রেনু পোনা (নবজাত পোনা) থেকে ধানি পোনা পর্যন্ত বড় করা হয়, তাকে আঁতুড় পুকুর (Nursery Pond) বলা হয়।
আর যে পুকুরে ধানি পোনা থেকে চারা পোনা পর্যন্ত বড় করা হয়, তাকে বলা হয় চারা পোনার পুকুর (Rearing Pond)।
পুকুরকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রস্তুত করতে হলে কয়েকটি ধাপে কাজ করতে হয় — যেমন: উপযুক্ত পুকুর নির্বাচন, মাটি ও পানির গুণাগুণ যাচাই, আগাছা ও রাক্ষুসে মাছ অপসারণ, চুন প্রয়োগ, সার প্রয়োগ, এবং ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ দমন ইত্যাদি।
নিচে এই ধাপগুলোর মধ্যে প্রথম ও প্রধান ধাপ— পুকুর নির্বাচন সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।
পুকুর নির্বাচন (Selection of Pond)
পুকুর নির্বাচনের সঠিকতা মাছ চাষের সফলতার অন্যতম পূর্বশর্ত। এমন পুকুরই নির্বাচন করতে হবে যেখানে সারা বছর বা কমপক্ষে মাছের প্রজনন মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি থাকে। সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে পানি ধারণক্ষম, সূর্যালোকপূর্ণ ও বন্যামুক্ত পুকুরকে আঁতুড় পুকুর হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।
ছোট আকারের পুকুর ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার জন্য অধিক সুবিধাজনক, কারণ এতে পর্যবেক্ষণ, পোনা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।
আঁতুড় পুকুরের আদর্শ বৈশিষ্ট্যসমূহ
(ক) পানির গভীরতা
পুকুরটি অগভীর হওয়া বাঞ্ছনীয়। গ্রীষ্মকালে যদি পুকুর শুকিয়ে যায় তাতে সমস্যা নেই, তবে বর্ষাকালে পানির গভীরতা ১ মিটারের বেশি না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। অতি গভীর পানির চাপে রেনু পোনা টিকতে পারে না এবং অক্সিজেন ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
(খ) পুকুরের আয়তন
আঁতুড় পুকুরের আয়তন ১০ থেকে ১৫ শতাংশ (প্রায় ৪০ থেকে ৬০ শতক ফুট) হলে সবচেয়ে ভালো। সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশের বেশি আয়তনের পুকুর আঁতুড় পুকুর হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ বড় পুকুরে পোনা পর্যবেক্ষণ ও জাল টানার কাজ জটিল হয়ে পড়ে।
(গ) মাটির ধরন
পুকুরের মাটি দো-আঁশ বা বেলে দো-আঁশ হলে তা সবচেয়ে উপযুক্ত। এঁটেল মাটির পুকুরে পানি দীর্ঘদিন থাকে বটে, কিন্তু নতুন খনন করা এঁটেল মাটির কারণে পুকুরে সবসময় ঘোলাটে ভাব বিরাজ করে। এতে সূর্যালোক নিচে প্রবেশ করতে পারে না, ফলে জলজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন কমে যায়।
(ঘ) পুকুরের পাড়ের গঠন
পুকুরের পাড় ঢালু হওয়া উচিত, যাতে সহজে জাল টানা যায় এবং পানি সঞ্চালন ভালো থাকে। ঢালু পাড় পানির নিচে পর্যাপ্ত আলোর প্রবেশে সহায়ক, যা শৈবাল ও প্লাঙ্কটনের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
(ঙ) তলদেশের অবস্থা
পুকুরের তলদেশে খুব বেশি কাদা বা জৈব পদার্থ থাকা ঠিক নয়। অতিরিক্ত কাদা পচে গিয়ে পানিতে বিষাক্ত গ্যাস (যেমন হাইড্রোজেন সালফাইড) উৎপন্ন করে, যা পোনা মাছের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
(ছ) পুকুরের পাড়ের উচ্চতা ও নিরাপত্তা
পুকুরের পাড় উঁচু ও মজবুত হতে হবে, যাতে বর্ষাকালে বন্যার পানি ঢুকে না পড়ে। বন্যার পানি ঢুকলে বাইরের মাছ বা দূষিত পদার্থ পুকুরে এসে মাছের ক্ষতি করতে পারে।
(জ) সেচ ও পানি সরবরাহের সুবিধা
পুকুরে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি ঢোকানো ও বের করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেচের জন্য ইনলেট ও আউটলেট পাইপ থাকা উত্তম। একই সঙ্গে এমন স্থানে পুকুর হওয়া দরকার যেখান থেকে পোনা মাছ সহজে পরিবহন ও স্থানান্তর করা যায়।
পানির গভীরতা ঃ
আঁতুর পুকুরে পানির গভীরতা ১-১.৫ মিটার হওয়া বাঞ্ছনীয়। রেনু অবস্থার পোনা অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় থাকে তখন অত্যধিক গভীরতার পানির চাপ সহ্য করতে পারে না গল্প গভীরতা পুকুরে জাল টানা, পানির বিষাক্ত গ্যাস দূরীকরণ এবং পোনা মাছের সম্পূরক খাদ্য গ্রহণে সুবিধা । আগাছা ও শেওলা নমন পানিতে স্বাভাবিক নিয়মে আগাছা ও শেওলা অন্যায়। পুকুর প্রস্তুত করার সময় আগাছা ও শেওলা সমন একটি অত্যপড় প্রয়োজনীয় কাজ। কারণ এসব আবার-
- পুকুরে সূর্যালোক ঠিকভাবে পৌঁছাতে বাধা দেয়া।
- পুকুরে বিভিন্ন রোগ, জীবানু ছড়ায়।
- পোনার চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে।
- রাতেও মেঘলা দিনে পুকুরের পানিতে অক্সিজেনের অভাব ঘটায় ।
- পুকুরের পানিতে দ্রবীভূত পুষ্টির অভাব ঘটায়।
রাক্ষুসে মাছ ও অবাঞ্ছিত প্রাণী অপসারণ
আঁতুড় পুকুরে রেনু পোনা ছাড়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো রাক্ষুসে মাছ, ব্যাঙ, জলজ পোকা ও অন্যান্য শত্রু প্রাণী অপসারণ করা। এরা শুধু পোনা মাছের খাদ্য নষ্ট করে না, বরং অনেক সময় সরাসরি পোনা খেয়ে ফেলে — ফলে মাছের ক্ষতি হয় এবং উৎপাদন কমে যায়।
রাক্ষুসে মাছ অপসারণের পদ্ধতি:
১️⃣ পুকুর শুকিয়ে ফেলা:
পুকুর সম্পূর্ণ শুকিয়ে ফেললে রাক্ষুসে মাছ ও অন্যান্য প্রাণী সহজে ধরা যায়।
২️⃣ জাল টানা:
পুকুরে পানি থাকলে ঘন ফাঁসের জাল টেনে বড় আকারের মাছ ও ব্যাঙ ধরা যায়।
৩️⃣ বিষ প্রয়োগ:
যদি পুকুর সম্পূর্ণ শুকানো সম্ভব না হয়, তবে রোটেনন (Rotenone) বা মাহুয়া তেলের খোল (Mahua Oil Cake) ব্যবহার করা যায়।
প্রতি শতাংশ পানির জন্য ২০–২৫ কেজি মাহুয়া তেলের খোল পানিতে ভিজিয়ে রেখে ২–৩ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হয়।
এতে রাক্ষুসে মাছ মরে যায়, কিন্তু কিছুদিন পর পানি পুনরায় মাছ চাষের উপযোগী হয়।
পুকুরের পাড় ও তলদেশ সংস্কার
পুকুরের পাড়ে বড় গাছ থাকা ভালো নয়। গাছের ছায়া পুকুরের বড় অংশ ঢেকে দেয়, ফলে সূর্যালোক পুকুরের তলদেশে পৌঁছাতে পারে না এবং মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হয়।
গাছের শুকনো পাতা পানিতে পড়ে পচে গিয়ে পানির গুণাগুণ নষ্ট করে।
তাই:
– পাড়ের বড় গাছ কেটে ফেলতে হবে,
– গর্ত, ফাটল বা ইঁদুরের গর্ত বন্ধ করতে হবে,
– পুকুরের তলদেশ সমান করতে হবে, যাতে পানি সমানভাবে ছড়িয়ে থাকে এবং জাল টানতে সুবিধা হয়।
চুন প্রয়োগ (Lime Application)
চুন প্রয়োগ পুকুর প্রস্তুতির অন্যতম অপরিহার্য ধাপ। এটি পানির অম্লত্ব (pH) নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু ধ্বংস করে এবং মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
চুন প্রয়োগের পরিমাণ ও পদ্ধতি:
- শুকনো পুকুরে: প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন সরাসরি তলদেশে ছিটিয়ে দিতে হবে।
- ভেজা পুকুরে: চুন পানিতে গুলে ঠাণ্ডা করে পুরো পুকুরে সমানভাবে ছিটিয়ে দিতে হবে।
- যদি পুকুরের পানি খুব ঘোলা বা দুর্গন্ধযুক্ত হয়, তাহলে ৭–১০ দিন পর আবার অল্পমাত্রায় চুন প্রয়োগ করা যায়।
চুন প্রয়োগের ফলে পুকুরের তলদেশে থাকা ক্ষতিকর গ্যাস দূর হয়, রোগজীবাণু ধ্বংস হয় এবং প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়।
সার প্রয়োগ (Fertilization of the Pond)
চুন প্রয়োগের ৫–৭ দিন পর সার প্রয়োগ করতে হয়, যাতে পুকুরে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য (ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন ও জুপ্ল্যাঙ্কটন) তৈরি হয়।
সার প্রয়োগের নিয়ম:
- গোবর সার: প্রতি শতাংশে ২০–২৫ কেজি।
- ইউরিয়া: প্রতি শতাংশে ২০০ গ্রাম।
- টিএসপি (T.S.P): প্রতি শতাংশে ১০০ গ্রাম।
সার প্রয়োগের ৫–৬ দিন পর যদি পুকুরের পানির রং হালকা সবুজ বা বাদামী দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন শুরু হয়েছে। যদি রং ফ্যাকাশে থাকে, তাহলে সামান্য পরিমাণ সার আবার প্রয়োগ করতে হবে।
ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ দমন (Elimination of Insects and Predatory Larvae)
সার প্রয়োগের পর সাধারণত পুকুরে হাঁসপোকা (Backswimmer), জলপোকা, ড্রাগনফ্লাই লার্ভা ইত্যাদি কীট জন্মায়। এরা পোনা মাছকে খেয়ে ফেলে এবং খাদ্যের জন্য প্রতিযোগিতা করে।
তাই রেনু পোনা ছাড়ার আগে এই পোকাগুলো সম্পূর্ণভাবে দমন করতে হয়।
কীট দমনের উপায়সমূহ:
(ক) ডিপটারেক্স বা সুমিথিয়ন ব্যবহার:
প্রতি শতাংশ পানির (৩০ সেমি গভীরতার জন্য)
ডিপটারেক্স: ১২ মি.লি.
সুমিথিয়ন: ৩ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতি:
রেণু ছাড়ার ২৪ ঘণ্টা পূর্বে ডিপটারেক্স পানিতে মিশিয়ে পুরো পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে।
এরপর ১২ ঘণ্টা পর সুমিথিয়ন পানিতে মিশিয়ে ছিটাতে হবে।
(খ) কেরোসিন বা ডিজেল তেল ব্যবহার:
প্রতি শতাংশ পানির জন্য ১২৫ মিলি কেরোসিন বা ডিজেল ঢেউহীন পানিতে সমানভাবে ছিটাতে হবে।
প্রয়োগের সময় বাতাস কম থাকা উত্তম, কারণ তেলের স্তর পানির উপরিভাগে থেকে কীটের শ্বাসরন্ধ্র বন্ধ করে দেয়।
২৪ ঘণ্টা পরে পুকুরে পোনা ছাড়তে হবে।
এই পদ্ধতিতে ছোট প্রাণিকণা বা প্ল্যাঙ্কটনগুলো জীবিত থাকে, কিন্তু বড় ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ ধ্বংস হয়।
হররা টানা (Dragging the Seine Net)
রেনু পোনা ছাড়ার পূর্বে পুকুরে কয়েকবার হররা টানা উচিত। এতে পুকুরের তলদেশে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাস (যেমন H₂S ও CH₄) উপরে উঠে বাতাসে উবে যায়, ফলে পানি হয় অক্সিজেনসমৃদ্ধ এবং পোনা মাছের জন্য নিরাপদ।
সারমর্ম (Summary)
- রেনু পোনার পুকুর ছোট ও অগভীর হওয়া উচিত।
- পুকুর শুকিয়ে বা জাল টেনে রাক্ষুসে মাছ ও অবাঞ্ছিত প্রাণী অপসারণ করতে হবে।
- প্রতি শতাংশে ১ কেজি চুন, ২০–২৫ কেজি গোবর সার, ২০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ১০০ গ্রাম টিএসপি প্রয়োগ করতে হবে।
- পুকুরে সূর্যালোক প্রবেশে বাধা না পায়, এজন্য পাড়ে বড় গাছ থাকা অনুচিত।
- ক্ষতিকর কীট দমনের জন্য ডিপটারেক্স, সুমিথিয়ন বা কেরোসিন/ডিজেল ব্যবহার করা যায়।
- রেনু ছাড়ার আগে কয়েকবার হররা টানলে তলার ক্ষতিকর গ্যাস অপসারিত হয় এবং পানি হয় বিশুদ্ধ।
