আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়-ব্যবহারিক :মুরগি পালনের চুড়ান্ত মূল্যায়ন। বিষয় : ১ ব্রয়লার বাচ্চার ব্রডিং ব্যবস্থাপনা ও পালার নিয়মসমূহ পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্ত অবলম্বনে একটি ভিডিও এর মাধ্যমে দেখানো ও আলোচনা করা।
বিষয়: ২ ব্রয়লার অথবা লেয়ার খামার পরিদর্শন।
উপকরণ :
১। লেয়ার অথবা ব্রয়লার খামার
২। খাতা, কলম ও পেনসিল
Table of Contents
ব্যবহারিক :মুরগি পালনের চুড়ান্ত মূল্যায়ন

কাজের ধাপ:
১। শিক্ষক বা গাইডের সাথে নির্ধারিত দিনে ও সময়ে খামারে গমন করুন।
২। সুশৃঙ্খলভাবে খামারের বিভিন্ন কার্যাবলি লক্ষ্য করুন।
৩। খামারের মুরগির জাত, সংখ্যা, বয়স ও পালন ব্যবস্থা ইত্যাদি খামার মালিকের সাথে। আলোচনাক্রমে জেনে নিন এবং এইগুলো খাতায় লিখে নিন।
৪। খামারের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জেনে নিন এবং নিজে পর্যবেক্ষণ করুন।
৫। ব্রয়লার খামার হলে কত বয়সে এবং কত ওজন হলে বিক্রয় করা হয় জেনে নিন ।
৬। লেয়ার খামারে ডিম উৎপাদনের সংখ্যা ও হার জেনে নিন।

আধুনিক পদ্ধতি:
আমাদের দেশে খুব কমই আধুনিক পদ্ধতি বা আবদ্ধ অবস্থায় দেশি মুরগি পালন করা হয়। আধুনিক পদ্ধতিতে মুরগি -পালন বলতে আবদ্ধ অবস্থায় মুরগি পালন কে বোঝায়।এই পদ্ধতির বেশি পুঁজি লাগে কিন্তু লাভ ও কম হয়। এই ভাবে দেশি মুরগি পালন করা হয় না কারন তাদের কম বৃদ্ধি এবং ছোট আকারের হয়। আবদ্ধ অবস্থায় পালন করা আনেক ব্যয়বহুল। দেশি মুরগি ১ বছরে ৩০-৪০ টি ডিম দিয়ে থাকে তাই বেশি লাভ হয় না,

মুরগির পায়খানা বা বিষ্ঠা:
মুরগির পায়খানা বা বিষ্ঠা জৈব সারের একটি ভালো উৎস। মুরগি চরানোর সময়, মুরগি পোকা মাকড়কে খেয়ে থাকে তাই তাদের বেশি বাড়তি খাদ্য দিতে হয় না। এতে মুরগি মালিকের কম খাদ্য লাগে এবং খরচ ও কম হয়। বাজার সম্ভাবনা স্থানীয় বাজার ছাড়াও বড় বাজারে এই দেশি মুরগি বিক্রি করা যায়। মুরগির ডিম প্রতিবেশী, স্থানীয় দোকান বা বাজারে পাইকারি বা খুচরা বিক্রি করা যেতে পারে। রোগ সমূহ: রাণীক্ষেত রোগ, গামবোরা রোগ, পুলোরাম রোগ, বসন্ত রোগ, ফাউল কলেরা রোগ, হিট স্ট্রোক রোগ, আমাশয় রোগ ইত্যাদি ।
